Mimia's closet-মিমিয়াস ক্লোজেট
Nearby clothing stores
Narayanganj, Dhaka
Narayanganj, Dhaka
Dhaka, Narayanganj
Chashara Dhaka, Narayanganj
Narayanganj, Dhaka
Dhaka, Narayanganj
Narayanganj, Dhaka
Dhaka Narayanganj, Dhaka
Dhaka Narayanganj, Dhaka
Dhaka, Narayanganj
Dhaka, Narayanganj
Narayanganj, Dhaka
Jatrabari Dhaka, Dhaka
Postogola, Dhaka
Dhaka 1232
You may also like
We always selling Dreams,not Clothes
গ্রুপে কিছু কিছু আপুদের পোস্ট দেখলে কান্দোন আহে।সেদিন এক আপা পোস্ট দিছে যে বয়ফ্রেন্ড মা বাবা তুলে গালি দেয় কিন্তু তাও সে বয়ফ্রেন্ডকে ভালোবাসে এখন সে কি করবে?ওরেহ বইন তোর মাথায় যেহেতু প্রেম করার হুশটুকু আছে তাইলে এই হুশটুকুও আছে যে ভালো পোলাপান মা বাবা তুলে গালি দেয়না।
আর এক আপা পোস্ট দিছে জামাই তাকে মারধর করে,জামাই ভালো না, এখন সে সংসার করতে চায়না ডিভোর্স দিয়ে দিছে এখন আমি ওই জামাই নিয়েই থাকতে চাই এখন কি করব?
এক ছেলের সাথে ২ বছর যাবত প্রেম কিন্তু এখন জানতে পারি সে বিবাহিত।কিন্তু তাকে আমি ভালোবাসি ছাড়তে পারবোনা এখন আমার করনীয় কি?মানে দুনিয়ায় এত জাতের বি*ষ থাকত গ্রুপে আবার পোস্ট দেওয়া লাগে কন।
বয়ফ্রেন্ড ধাপ্পাবাজ,মুখের ভাষা খারাপ করে,অন্য মেয়েদের সাথে অনেক কথা বলে এখন আমি কি করব?
বয়ফ্রেন্ডকে টাকা ধার দিছি সে টাকা দেয়না এখন কি করব?
বয়ফ্রেন্ড চিটারি করছে কিন্তু সে এখন ক্ষমা চাচ্ছে,ফিরে এসেছে।ফিরে আসার পর সে আমার কাছে টাকা চাচ্ছে এখন আমি কি করব?
আমি যেই ছেলের সাথে প্রেম করি তার চরিত্র ভালো না,মা বাবার কথা শুনে আমাকে বিয়ে করতে চায়না,বেকার এখন আমি ওই ছেলেকে ছাড়তে পারবোনা।আমার করনীয় কি?
এই ধরনের পোস্ট আর সমস্যাগুলো দেখলে মন চায় নিজের মাথায় নিজেই বারি দেই।ভাই তোগো কি মাথায় সমস্যা আছে?জানোস ব্যাডা ভালো না,বাটপার চিটার এরপরে আবার ওই ব্যাডারে নিয়ে কি সমস্যার সমাধান চাইতে আহোস রে?বি*ষ চোখে দেখোস না?😴
আপনার সন্তানকে সব সময় অভাবের কথা বলবেন না। তাকে সব সময় পজিটিভ কথা বলবেন, মন বরো করতে শিখাবেন, অভাবের মাঝে তাকে আটকে রাখবেন না। তাকে মন ও মানসিকতা বড়ো হতে শেখান। তাকে সাধ্যের মধ্যে থেকে যতটুকু পারেন,দামী জিনিসপত্র কিনে দেন। এডগার এলেন পো কিংবা আইজ্যাক বশেভিস সিঙ্গারের বই জন্মদিনে গিফট করেন।
তাকে সামান্য রাখাল বালকের ব্যাংকার হওয়ার গল্প না বলে এরদোয়ান কিংবা বাইডেনের গল্প বলেন।'মানুষ তার স্বপ্নের সমান বড়ো হয়',এই চরম সত্যটা ছোটবেলায় তার মাথায় গেঁথে দেন।
তাকে বলেন,যেকোন কাজ সন্মানের।শুধু চেয়ারে বসাই পড়ালেখার উদ্দেশ্য নয়। চিন্তার মুক্তি না হলে,পিএইচডি করেও কোন ফায়দা নেই।নিজের বিবেকের কাছে তাকে সৎ থাকার শিক্ষা দেন।
তাকে বলেন,এই দেশই পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ দেশ না।পৃথিবীতে আরো অনেক বড়ো বড়ো দেশ,জাতি,মানুষ,সভ্যতা আছে। প্রচুর ভ্রমণকাহিনী পড়তে দেন।দশ,বারো বছর বয়স হলেই যেন তার ভিতর সুইজারল্যান্ডের ইন্টারলেকেন কিংবা কাশ্মীরের কোন সকাল দেখার স্পৃহা তৈরি হয়।
বাচ্চাদের অভাব শিখাবেন না।অভাবী মানুষ পৃথিবীকে কিছু দিতে পারে না।এদের জীবন কাটে ধুঁকে ধুঁকে।খরকুটোর মতো বেঁচে থাকা আসলে কোন 'জীবন' না। টাকায় দরিদ্র হওয়া কোন অপরাধ না। অপরাধ হলো,নিজের চিন্তা ভাবনাকে 'গরীব' করে রাখা।
যারা আপনার সন্তানের উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে খাটো করে দেখে,তারা হতাশাগ্রস্ত লোক।এদের কাছ থেকে ৫০০ হাত দূরে থাকুন।🙄🙏
সংগ্রহীত
Sohag Shafiqul
#তরুলতা #শিক্ষোণীয়_গল্প
😭😭😭😭😭😭
🌙⭐🌙⭐🌙🐮
EID MUBAROK
🌙⭐🌙⭐🌙🐮
রাসেল ভাইপারঃ
এই সাপের বিশেষত্ব হচ্ছে, এরা খুবই বিষাধর। কাউকে ছোবল দিলে এন্টি ভেনম দিলেও বাঁচার সম্ভাবনা ২০%.।।এন্টি ভেনম এটার টা নাই এ দেশে।
আর এই দেশের জলবায়ুতে প্রকিতৃতে এদের কোন অবদান নাই।
আরও ভয়ংকর ব্যাপার হল অন্যান্য সাপ সাধারণত নিজেরা আক্রান্ত হলে কিংবা সরাসরি কারও সামনে পড়লে ছোবল দেয় অন্যথায় কামড় দিতে আসে না বরং পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু রাসেল ভাইপার দূরে থেকে মানুষ দেখলেও তেড়ে আসে আর কামড় দেওয়ার চেষ্টা করে।
অন্য সাপ ১ রকম বিষ ধারন করলেও,,রাসেল ভাইপারের বিষ একই সাথে ৫/৬ ধরনের হয়।
এই সাপ খুবই দ্রুত বংশ বিস্তার করে
এরা সরাসরি বাচ্চা দেয়---৫০ থেকে ৮০ টি পর্যন্ত বাচ্চা দিতে পারে।
সম্প্রতি,, রাজশাহী,, নাটোর,, পাবনা,,মানিকগঞ্জ,,,মাওয়া,,,পদ্মার তীরবর্তী এলাকায় এই সাপের উপদ্রব বেড়েছে।
তাই সরকারিভাবে যদি এই সাপ নিধনের উদ্যোগ না নেয়া হয় তাহলে বর্ষার মৌসুমে সারা বাংলাদেশে এই সাপ ছড়িয়ে পড়ার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে।
আপনারা তো ভাইরাল বস্তু ছাড়া শেয়ার করেন না,,জনসাধারণের উপকার এর জন্য শেয়ার করতে পারেন।
(Collected)
বাজারে গেলে বা মেরাদিয়া হাটের দিন প্রায়ই দেখবেন মাছের আশেপাশে কিছু ভাসমান উদ্ভিজ রাখা হয়। এটা দিয়ে তারা বুঝাতে চায় মাছটি খুবই টাটকা কেবলই ধরে আনা।আবার সবজি বিক্রেতারা সবজির উপর পানি ছিটিয়ে রাখেন যাতে মনে হয় সবজিগুলো টাটকা ও সতেজ আবার অনেক সময় রোধে শুকিয়ে যায় তাই তাজা রাখার কৌশলও বটে।
আসলেই কি তাই?
উত্তর অবশ্যই না, আসলে এটা জাস্ট একটা টেকনিক বা চোখের ধাঁধা মাত্র আই ওয়াশ মাত্র ক্রেতাদের জন্য।বাস্তবে দেখা যায় সবজি মোটেও টাটকা না,আর মাছের কানসা পঁচে গেছে বা অনেক সময় ধরে অবিক্রিত আছে মাছ গুলো।তবে ব্যতিক্রমও আছে, মানে সবই যে খারাপ বা ঐ করে তা নয়। ভালো মাছ বা সবজিতেও এই পদ্ধতি অবলম্বন করা হয় আকর্ষণ বাড়ানোর জন্য।অনেক নদী বা বিলের মাছ বোঝাতে কচুরিপানা ব্যবহার করে থাকেন কিন্তু আসলে দেখা যায় তা পুকুরের বা চাষের মাছ।
আমাদের সমাজেও এমন কিছু মানুষ আছে উপরে তারা খুবই ফিটফাট,গোছানো ভেতরে ঠনঠন হিংসা ও অহংকারে ভরা।
এদেশের ছেলেরা যতদিন না জানবে যে, একজন শিক্ষিত কর্মজীবী স্ত্রীর সাথে কি ধরণের আচরণ করতে হয়, ততদিন ডিভোর্সের হার বাড়তেই থাকবে।
আমি যদি আশা করি আমার শিক্ষিত কর্মজীবী স্ত্রীর আমার সাথে আচার আচরণ আমার বাবার সাথে আমার মা যে আচার আচরণ করেছে তার মতই হবে তাহলে আমার সংসারে ডিভোর্স অনিবার্য। এই ডিভোর্সটা ফিজিক্যালীও হতে পারে মেন্টালিও হতে পারে। আমার মায়ের সারাদিনের কাজের সাথে আমার স্ত্রীর ১০ঘন্টা কর্মজীবন (যাওয়া আসাসহ) যোগ করলে কোন মানুষের পক্ষ্যেই তা করা সম্ভব না। মেশিনের পক্ষেও সম্ভব না। আপনি তো শরীর দুইভাগ করে দুদিকে পাঠাতে পারবেন না।
দুঃখজনক হলেও সত্য আমরা শিক্ষিত কর্মজীবী বৌ চাই যার আচার আচরণ হবে আমার মা-চাচীদের আচার আচরণের মত। যা বাস্তবে অসম্ভব। এক বেলা রান্না করে খাওয়ার মুরদ নাই, গোসলের পর নিজের কাপড়টা ধুইতে পারেন না, বাচ্চার ডায়াপার পরিবর্তন করতে পারেন না, ঘর পরিষ্কার করতে বা গোছাতে গেলে নিজেকে মাইয়া মানুষ মনে হয়, আপনাকে কর্মজীবী নারীকে বিয়ে করতে বলছে কে?
এটা সত্য যে শিক্ষিত কর্মজীবী নারীদের মধ্যে ডিভোর্সের হার বেশি। কিন্তু এই ডিভোর্সগুলোর কারণ নারীর শিক্ষা বা কর্মজীবন নয়। এর প্রধান কারণ এই নারীদের কাছে তাদের স্বামী ও সমাজের অবাস্তব আচার আচরণ ও অফুরন্ত চাহিদা। যদিও শিক্ষিত কর্মজীবী নারীদের ডিভোর্স নিয়ে ইদানিং অনেক কথা হচ্ছে এবং এই ডিভোর্সগুলোর জন্য অধিকাংশ সময়ই নারীদের শিক্ষা ও কর্মজীবনকে দায়ী করা হচ্ছে।
এদেশে ফিজিক্যালি ডিভোর্স যত হয় মেন্টালি ডিভোর্স তার কয়েকগুন বেশি হয়। যাস্ট সন্তান, পরিবার ও সমাজে মানসম্মানের ভয়ে এই সম্পর্কগুলো অফিসিয়াল ডিভোর্সে রুপ নেয় না।
একান্তই ব্যক্তিগত মতামত
অবশ্যই পড়বেন আপুরা
🙂সব বয়সেরই একটা আলাদা চাহিদা আছে। যেমন, আগে শ্যাম্পু করে চুল ছাড়া রাখতে ভালো লাগতো। আর এখন চুলগুলো খোপা করে রাখতেই বেশি ভালো লাগে। আগে দুনিয়ার আগডুম বাগডুম কাপড় পড়ার নেশা ছিল। এখন শুধুই কোন কাপড় পড়লে শান্তি পাবো সেটা খুজে বের করি। আগে বিকাল বেলার ঘুম কি জিনিস জানতামই না। অথচ এখন মনে হয় ঘুমাই আর ঘুমাই। পারলে ঘুম থেকে উঠে আরেকটু ঘুমাই!
আগে যখন ঝুম বৃষ্টি হতো, ছুতো খুঁজতাম, কিভাবে বের হওয়া যায়! কোমর সমান পানিতে ডুবে বৃষ্টিতে ভেজার নেশায় স্কুল যেতাম! এখন বৃষ্টি মানেই হলো কাঁথা পেঁচিয়ে শুয়ে ঘুমিয়ে পড়ার অপেক্ষা! আসলে, যে বয়সে যেটা মনে চায় সেটা সে বয়সেই করে ফেলা উচিত।
এরপর বয়সও বদলে যায়, সেই সাথে ইচ্ছেরাও,,,,
©
মেয়ের তো রাজ কপাল ভাই
৭জনম বেচলেও এই সোনা আর শেষ হবে না
ভাই আমাদের ও কিছু ধার দে🐸
তাই তো?
গর্ভে থাকা সন্তানের আর -এ দূনিয়া দেখা হলো না🙂
এক দিক দিয়ে ভালোই হলো! তোদের দশাও হয়তোবা আমার মতোই হতো!?
একটি গর্ভধারণি "মা" 💔
লোকেশনঃ যশোর সদর উপজেলা আরিফপুর ইউনিয়ন।
বলিয়া ভেকুঠিয়া গ্রাম।
Catwaala - বিলাইওয়ালা
আল্লাহ তোদের বিচার করুক🤬🤬🤬🤬
প্রায়ই কঠিন সময়ে কাউকে পাশে পাওয়া যায় না কেন জানেন? কারণ আল্লাহ বুঝাতে চান যে ‘তোমার জন্য কেবল এবং কেবলমাত্র আমিই আছি। আর কেউ না!🖤
🌙🌙🌙🌙EID COLLECTION 🌙🌙🌙🌙
🌼কামিজ- মসলিন কটন❤️
🌼ওড়না- চুন্দ্রি ওড়না❤️
🌼সাইজ- ৩৬-৪৪বডি এভেইলেবল❤️
🌼অনেক ঘেরযুক্ত কামিজ❤️
🌼Delivery 🚚🚛🚚
🌿 inside dhaka 80tk
🌿outside dhaka 150tk delivery charge advance (bkash)
মাঝেমধ্যে ত'র্ক করা ভালো। সব জায়গায় মানিয়ে না নিয়ে নিজের অধিকারের কথা কোথাও কোথাও মনে করিয়ে দেওয়া ভালো। কখনও কখনও স্বা'র্থপর হওয়া ভালো। মুখের ওপর না বলতে শেখা ভালো। ঝুঁকে থাকা যেখানে বন্ধুত্বের নয় বরং আপনার দু'র্বলতার প্রতীক হয়ে দাঁড়ায় সেখানে মাথা উঁচু রাখাই ভালো। যদি কেউ ভাবে আপনার মাথায় হাত বুলিয়ে কাজ করিয়ে নেওয়া যাবে, তবে তার ভু'ল ধারণা ভে'ঙে দেওয়া ভালো।
সহজ থাকা ভালো, সরল থাকা ভালো; কিন্তু মানুষ বুঝে, জায়গা বুঝে। ভু'ল জায়গায় বা ভু'ল মানুষের কাছে সহজ সরল থাকলে নিজের জীবনটা জ'টিল হয়ে যায়!'😊
© Amit dittuu
শাড়ির কুচি ঠিক করার মুহুর্তে স্মৃতি খেয়াল করলো শ্বাশুড়ি মা তার রুমে উঁকিঝুঁকি করছেন। স্মৃতি স্থির গলায় জিজ্ঞেস করলো, "মা কিছু বলবেন?"
স্মৃতির শ্বাশুড়ি রাহেলা বেগম ভ্রু কুচকে জিজ্ঞেস করলেন, "তা যাচ্ছো কোথায়?"
"আসলে আপনার ছেলে বলেছে তার সাথে একটু বাহিরে যেতে, আমায় নাকি ঘুরতে নিয়ে যাবে।"
"বাহ! এ তো খুব ভালো কথা। এখনই তো সময় ঘুরার, ঘুরো। নাতি নাতনি হলে তো ওদের নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়বে আর ঘুরার সময় হবে না।"
স্মৃতি কিছু বলল না শুধু একটা মুচকি হাসি দিল। রাহেলা বেগমও আর কিছু না বলে চলে গেলেন নিজের রুমে।
কিছু সময়ে বাদে স্মৃতির স্বামী কল দিয়ে বলল সে আসছে। স্মৃতি বের হতে যাওয়ার সময়ে রাহেলা বেগমের সাথে দেখার করার জন্য তার রুমে সামনে দাঁড়িয়ে থমকে গেলো৷ ভিতর থেকে রাহেলা বেগমের গলা শুনা যাচ্ছে,
"আর কি বলব আমি! আজকালকার ছেলের বউরা কি আর আগের মতো আছে? আমরা আমাদের শ্বাশুড়ির কথার বাহিরে একটা কাজও করি নাই। প্রতিটা কাজ শ্বাশুড়ি মাকে জিজ্ঞেস করে করে করতাম। এক গ্লাস পানিও শ্বাশুড়ি মাকে জিজ্ঞেস করে খেতাম স্বামীর সাথে ঘুরতে যাওয়া তো দূরে থাক! আর আজকালকার বউরা! ছিঃ!"
স্মৃতি আর শ্বাশুড়ি মায়ের রুমে ঢুকলো না। দরজার সামনে থেকেই চলে গেল।
বিকাল পেরিয়ে সন্ধ্যা হয়ে গেল। রাহেলা বেগমের নাম্বারে কল এসেছে। কল রিসিভ করতেই ওপাশ থেকে স্মৃতি বলল, "মা আমরা কি বাসায় আসবো?"
রাহেলা বেগম ভ্রু কুচকে বললেন, "বাসায় আসবে না তো কি আজ রাত বাহিরেই থাকার ইচ্ছে নাকি?"
"জ্বী আচ্ছা" বলে স্মৃতি কল কেটে দিল।
বাসায় এসে স্মৃতি ফ্রেশ হয়ে রাহেলা বেগমের রুমে গিয়ে তাকে জিজ্ঞেস করলো, "মা ভাত চুলায় বসাবো?"
রাহেলা বেগম কিছুটা অবাক হয়ে বললেন, "ভাত না বসালে কি করবে?"
স্মৃতি আর কথা না বাড়িয়ে চলে গেল।
সবাই একসাথে খেতে বসেছে। স্মৃতি সবার আগে তার শ্বাশুড়ি মায়ের প্লেট হাতে নিয়ে বলল, "মা আপনাকে ভাত দিব?"
রাহেলা বেগম চোখ রাঙিয়ে বললেন, "আমার জন্য কি বিরিয়ানি রেধেছো?"
"তা তো করি নি।"
"তাহলে ভাত না খেয়ে কি খাব?"
স্মৃতি তার শ্বাশুড়ির প্লেটে এক চামচ ভাত দিয়ে বলল, "মা আর দিব?"
"এক চামচ ভাত খেয়ে কি হবে?"
স্মৃতি আরেক চামচ ভাত দিয়ে বলল, "আর দিব?"
রাহেলা বেগম কিছুটা বিরক্ত হয়ে নিজের ভাত নিয়ে সবাইকে বেড়ে দিলেন।
খাওয়া শেষে রাহেলা বেগম নিজের রুমে চলে গেলেন। রুমের দরজা আটকে তিনি মাত্র শুয়েছেন এমন সময়ে স্মৃতি দরজা নক করা শুরু করলো। রাহেলা বেগম বিরক্ত হয়ে দরজা খুললেন।
"মা থালা বাসন গুলো কি ধুয়ে ফেলব?"
রাহেলা বেগম এবার রেগে গিয়ে বললেন, "কি শুরু করেছো বউমা? সেই কখন আমার সাথে এমন করছো? প্রতিটা কথা জিজ্ঞেস করে করে করছো! ব্যাপার কি?"
স্মৃতি কাচুমাচু করে বলল, "না মানে আপনিই তো আজ কাকে যেন বলছিলেন আমি আপনাকে কিছু জিজ্ঞেস করি না সব নিজের ইচ্ছে মতো করি তাই আরকি।"
রাহেলা বেগম রেগে ধরাম করে দরজা আটকে দিলেন।
রাত প্রায় ৩টার কাছাকাছি। রাহেলা বেগমের মোবাইল বেজেই চলেছে। আধো চোখে তিনি মোবাইলের স্ক্রীনের দিকে তাকালেন। স্মৃতি কল করেছে। রাহেলা বেগল নড়ে চড়ে উঠলেন। এতো রাতে এতোবার কল করলো কেন? কিছু হয়েছে নাকি? ভাবতে ভাবতেই আবারও স্মৃতির কল আসলো। রাহেলা বেগম কল রিসিভ করে বললেন, "কি ব্যাপার বউমা এতো রাতে তুমি কল দিলে? আমি তো পাশের রুমেই আছি দরজা নক করলেই তো হতো।"
"কয়েকবার নক করেছি কিন্তু আপনি খুলেন নি তাই কল দিয়েছি।"
"তা কি হয়েছে বলো?"
"মা আসলে আমার অনেক বাথরুমের চাপ উঠেছে। আমি কি বাথরুমে যাববো?"
রাহেলা বেগম কি উত্তর দিবেন বুঝতে পারছেন না। তবে এতোটুকু বুঝতে পেরেছেন বর্তমান বউমায়েরা তাদের মতো মুখ বুঝে সব মেনে নিবে না।
#রম্যগল্পঃ_শ্বাশুড়ি_ভক্তি
#লেখনীতেঃ_নাজিফাহ_সুবহা
𝐍𝐞𝐰 𝐀𝐫𝐫𝐢𝐯𝐚𝐥 𝐏𝐚𝐤𝐢𝐬𝐭𝐚𝐧𝐢 𝐃𝐞𝐬𝐢𝐠𝐧𝐞𝐫 𝐀𝐟𝐬𝐚𝐧 𝐏𝐫𝐢𝐧𝐭 3 𝐏𝐢𝐞𝐜𝐞
𝐖𝐨𝐫𝐤 𝐓𝐲𝐩𝐞 : 𝐀𝐟𝐬𝐚𝐧 𝐏𝐫𝐢𝐧𝐭
𝐅𝐚𝐛𝐫𝐢𝐬 :𝐏𝐫𝐞𝐦𝐢𝐮𝐦 𝐂𝐡𝐢𝐧𝐚 𝐂𝐨𝐭𝐭𝐨𝐧 (48-49 𝐈𝐧𝐜𝐡𝐢)
𝐏𝐚𝐧𝐭 : 𝐂𝐨𝐭𝐭𝐨𝐧 (39 𝐈𝐧𝐜𝐡𝐢)
𝐃𝐮𝐩𝐚𝐭𝐭𝐚 : 𝐎𝐫𝐠𝐚𝐧𝐳𝐚
𝐁𝐨𝐝𝐲 𝐒𝐢𝐳𝐞: 38-48' 𝐈𝐧𝐜𝐡𝐢
ছোটবেলায় উর্মিলা আর রাশিকে ভিলেন ভাবা আমি বড় হয়ে বুঝতে পারলাম আসল ভিলেন হলো "কোকিলা বেন মুদি"
১. সারাদিন চিৎকার চেঁচামেচি করে
২. নিজের উচ্চ শিক্ষিত ছেলের জন্য নামও লিখতে পারে না এমন বউ নিয়ে এসেছে
৩. মেয়ে খুঁজতে যাওয়ার সময় পন্ডিতজি কে বলে নিয়েছে "তার এমন বৌ চাই যে বোবা,মেরুদন্ডহীন, তার কথায় উঠবে বসবে", এক কথায় তার কাজের মেয়ে লাগবে ফ্রি-তে
৪. ডায়ালগ দেয় বড়দের সম্মানের বিষয়ে, অথচ সারাদিন মোটাভাবি আর শাশুড়ীকে ধমকায়
৫. গোপীকে অন্য কেউ কিছু বললে তার গায়ে লাগতো, অথচ নিজে কখনো ধমক ছাড়া কথা বলেনি
৬. উর্মিলা আর রাশির সাথে সবসময় খারাপ ব্যবহার করতো, কারণ রাশির নিজের মতামত ছিলো বলে
৭. গোপী আর রাশির মধ্যে প্রতিযোগিতা করাতো, রান্না প্রতিযোগিতা রঙ্গুলি প্রতিযোগিতা, দুই বোনের মধ্যে যাতে মিল না হয়
৮. নিজের স্বামীকে মুখও খুলতে দিত না, কথায় কথায় " চুপ থাকুন"!
৯. অন্যের ছেলেমেয়েকে ফুলদমে জাজ করে, নিজের দুই ছেলেমেয়ের একটাও মানুষ হয়নি😑😑🥱🥱
আমিও Content Creator, নিজের জীবনের সব ঝামেলা নিজেই Create করি।
Cp
একটা জিনিস দেখছি, যারা বউকে সম্মান দেয়, বউয়ের কথা কে দাম দেয়, মানুষ এর সামনেও বউয়ের সম্মান রাখে,সেইসব পুরুষ দের অধিকাংশের ই লাইফে উন্নতি হয়,এদের সংসার শান্তি ও থাকে। অপরদিকে যারা অশান্তি দেয়,এক পয়সার দাম দেয়না, এদের না থাকে লাইফে শান্তি না হয় উন্নতি!
নিজের জীবনে উন্নতি,শান্তি চাইলে যাকে বিয়ে করেছেন তাকে সম্মান দিন৷ উন্নতি হবেই,শান্তি আসবেই
💙
𝐑𝐞𝐚𝐝𝐲 𝐌𝐚𝐝𝐞 𝐏𝐮𝐫𝐞 𝐂𝐨𝐭𝐭𝐨𝐧 𝐏𝐚𝐤𝐢𝐬𝐭𝐚𝐧𝐢 𝐃𝐞𝐬𝐢𝐠𝐧𝐞𝐫 2𝐏𝐢𝐞𝐜𝐞
❤️𝐖𝐨𝐫𝐤 𝐓𝐲𝐩𝐞 : 𝐄𝐦𝐛𝐫𝐨𝐢𝐝𝐞𝐫𝐲 𝟐 𝐩𝐢𝐞𝐜𝐞
❤️𝐒𝐢𝐳𝐞 : 𝟑𝟔-44 𝐈𝐧𝐜𝐡
❤️𝐅𝐚𝐛𝐫𝐢𝐜 : 𝐏𝐮𝐫𝐞 𝐂𝐨𝐭𝐭𝐨𝐧
❤️𝐏𝐚𝐧𝐭 : 𝟑𝟖-𝟒𝟎 𝐈𝐧𝐜𝐡 𝐓𝐫𝐨𝐮𝐬𝐞𝐫 (𝐏𝐮𝐫𝐞 𝐂𝐨𝐭𝐭𝐨𝐧-𝐄𝐦𝐛𝐫𝐨𝐢𝐝𝐞𝐫𝐲)
❤️𝐏𝐫𝐢𝐜𝐞 :, 🌟🌟🌟🌟 𝐓𝐚𝐤𝐚
✅Delivery Charge:
➡️Inside Dhaka: 80 Taka(advance)
➡️Outside Dhaka: 150 টাকা (advance by bkash)
✅ডেলিভারি ম্যান এর সামনে প্রোডাক্ট চেক করে তারপরে পেমেন্ট করবেন, প্রোডাক্ট রিটার্ন করতে চাইলে অবশ্যই ডেলিভারি চার্জটা দিতে হবে, কারণ ভেলিভারি ম্যান আপনার বাসা পর্যন্ত গিয়েছে।প্রোডাক্ট এক্সচেইঞ্জ হবেনা। ডেলিভারি ম্যান চলে আসার পর ফেরত বা রিটার্ন হবে না আর কোন প্রকার অভিযোগ শুনা হবে না❌
আচ্ছা,এই যে আম্বানি এত এত শো অফ,
প্রি ওয়েডিং প্রোগ্রামে ১২০০ কোটি খরচ করলো!'
রিয়ানারে আনলো,টাকার গরমে তিন খান রে নাচাইলো,জেট প্লেন দিয়া গেস্ট আনলো,২৫০০ পদের খাওয়ার আইটেম করলো!:সারা দুনিয়ারে দেখাইলো...
আমার প্রশ্ন হচ্ছে,আম্বানির "নজর" লাগেনা?'
নাকি নজর খালি আমার মতো গরীবদের লাগে?'
যে কিনা একটা গুড নিউজ শেয়ার করলে নজর লাগে,বাচ্চার ছবি আপলোড দিলে নজর লাগে,ভালো চাকরির খবর কইলে নজর লাগে,এমন কি খাওনের ছবি দিলেও নজর লাইগা পেট খারাপ হয়!'😒
🌺🌺𝐃𝐞𝐬𝐢𝐠𝐧𝐞𝐫 𝐒𝐮𝐦𝐦𝐞𝐫 𝐅𝐫𝐢𝐞𝐧𝐝𝐥𝐲 𝐂𝐨𝐭𝐭𝐨𝐧 𝐒𝐮𝐢𝐭 🌺🌺
🌺𝐅𝐚𝐛𝐫𝐢𝐜 : 𝐏𝐫𝐞𝐦𝐢𝐮𝐦 𝐂𝐨𝐭𝐭𝐨𝐧 (𝐄𝐦𝐛𝐫𝐨𝐢𝐝𝐞𝐫𝐲 𝐖𝐨𝐫𝐤)
🌺𝐏𝐚𝐧𝐭 :𝐂𝐨𝐭𝐭𝐨𝐧 (40 𝐢𝐧𝐜𝐡)
🌺𝐃𝐮𝐩𝐚𝐭𝐭𝐚 : 𝐂𝐨𝐭𝐭𝐨𝐧
🌺𝐒𝐢𝐳𝐞 :𝟑𝟖-𝟒𝟖 𝐢𝐧𝐜𝐡
🌺𝐋𝐨𝐧𝐠 : 𝟒𝟑 𝐢𝐧𝐜𝐡
🌺𝐏𝐥𝐞𝐚𝐬𝐞 𝐈𝐧𝐛𝐨𝐱 𝐮𝐬 𝐟𝐨𝐫 𝐝𝐞𝐭𝐚𝐢𝐥𝐬
রমজান এলো রমজান এলো..
এলো মাহে রমজান!! 🌙⭐🌙⭐🌙⭐
Click here to claim your Sponsored Listing.
Videos (show all)
Category
Contact the business
Website
Address
Jurain
East Jurain , Darogabari Road
Jurain
Hi Folks, I am Lecco. I usually make customized T-shirt. My purpose is to promote Bengali visual art